সর্বশেষ

Friday, 4 April 2025

মানিকগঞ্জ-১ আসন দখলে নিতে চায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ইলিয়াছ হোসাইন

মানিকগঞ্জ-১ আসন দখলে নিতে চায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ইলিয়াছ হোসাইন

 


দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয় উপজেলা নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ-১ আসন । ৩টি উপজেলায় ২২টি ইউনিয়নে মোট খসড়া ভোটার সংখ্যা-৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৭৮ জন । এ আসনটি এক সময়ে বিএনপির ঘাটি হিসাবে খ্যাত ছিল গত ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হতে বিএনপির হাতছাড়া হয়ে যায় । বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ সরকার দিনের ভোট রাতে কারসাজি করে পর পর তিনবার এ আসনটি দখলে রাখে । রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ মানিকগঞ্জ-১ আসন দখলে নিতে চায় নুরুল হক নুর (ভিপি নুর) ও মো: রাশেদ খানের গণঅধিকার পরিষদ ।

ইতিমধ্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী মানিকগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি , সৌদি আরব শাখার প্রবাসী অধিকার পরিষদের সহ -সভাপতি , মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসাইন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান , শতরুপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী দানবীর মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসাইন নেতাকর্মী নিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে । মানিকগঞ্জ-১ আসনে মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসাইন তার নিবাচনী এলাকায় গরীব অসহায় মানুষের মাঝে ঈদুল ফিতরে ঈদ উপহার সামগ্রী, শীত মৌসুমে শীত বস্ত্র, নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত্রদের সাহায্যে মাধ্যমে দানশীল মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে ।

তিনি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ভিপি নুর)ও সাধারন সম্পাদক মো: রাশেদ খানের ছবি সম্বলিত ব্যানার,ফেস্টুন,পোস্টার উপজেলা সদর,হাট-বাজার, গ্রাম-গঞ্জে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শোভা পাচ্ছে । ।মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসাইন, মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার খলসী ইউনিয়নের ভররা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কারী মোহাম্মদ ইজ্জত আলী, চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি( ২য় ) মেঝ সন্তান,তার পিতা ছিলেন একজন মাদ্রাসার শিক্ষক, যিনি শিক্ষা ও নৈতিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিবেদিত ছিলেন।বর্তমানে মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসাইন কমাশিয়াল বিলডিং ,উথলী ,শিবালয় মানিকগঞ্জ বসবাস করেন ।ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার প্রতি আগ্রহী মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসাইন তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন ভররা মাদরাসা ও ঠাকুরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে তিনি ঘিওর ডি. এন. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।


মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসাইন ২০২১ সাল থেকে ভিপি নুরুল হক নুর এর সাথে গণঅধিকার পরিষদের একজন নিবেদিত প্রান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আগামী সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ ১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের দলীয় প্রতীক ট্রাক মার্কা নিয়ে প্রার্থী হবেন ইনশাআল্লাহ। তিনি মানিকগঞ্জ আসন ১ সহ সারা দেশের মানুষের কাছে দোআ কামনা করেছেন।


বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার স্বপ্ন লালন করছেন।


বৈষম্যহীন সু-সম উন্নয়নে সকল ধর্ম-বর্ণ-গোত্র ও শ্রেণি পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে কাজিপুরের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই-মাওলানা শাহিনুর আলম

বৈষম্যহীন সু-সম উন্নয়নে সকল ধর্ম-বর্ণ-গোত্র ও শ্রেণি পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে কাজিপুরের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই-মাওলানা শাহিনুর আলম

 



নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের চাইতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের কিছু ভিন্নতা রয়েছে, মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে। সেই পার্থক্য হলো- একে বারে ওয়ার্ড থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতা নির্বাচন করা হয় দলের গঠনতন্ত্র ও প্রটোকল মেনে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সু-শৃঙ্খল দল।তাই যে কারও হুট করে নেতা হবার সুযোগ নেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে। দলের জন্য ত্যাগী, দক্ষতা, সততা, নিষ্ঠা নিবেদিত প্রাণ এবং নেতা-কর্মীদের সমর্থন ও মতামতের ভিত্তিতে নেতা নির্বাচন করা হয়। কেন্দ্রের কোনো সিদ্ধান্ত দলের নিম্ন পর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সুশৃঙ্খল ভাবে মেনে চলা হয়। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সামনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিরাট গুরুত্ব বহন করে। সেই গুরুত্বকে প্রাধান্য দিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা বাংলাদেশে দুই শতাধিক সংসদীয় আসনে ইতোমধ্যেই প্রার্থীতা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।। ক্ষেত্রে দলের জন্য ত্যাগী, নিষ্ঠাবান, সৎ, দক্ষ ও নিবেদিত কর্মীকে বেছে নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জে ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই জন্য দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোনো প্রকার বিরোধ, দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি যা অন্যান্য দলে একেবারেই সম্ভব নয়। সিরাজগঞ্জে ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর-সদর আংশিক), সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ), সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী), সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) ও সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) এই পাঁচটিতে প্রার্থীতা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে (তাড়াশ রায়গঞ্জ) প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। সিরাজগঞ্জে-১ (কাজিপুর ও সদরের একাংশ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য বিনয়ী, সৎ, দক্ষ ও কর্মীবান্ধব নেতা মাওলানা শাহিনুর আলমকে সংসদ সদস্য নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সু-শিক্ষিত মাওলানা শাহিনুর আলম, কাজিপুর উপজেলার পাইকরতলী, গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মাওলানা ফজলুর রহমান একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। মাতা শাহার বানু এক সফল গৃহীনি। তিনি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের সয়া ধানগড়ামধ্যপাড়ায় বসবাস করছেন।মোঃ শাহিনুর রহমান ১৯৯০ সালে দাখিল, ১৯৯৩ সালে আলিম, ১৯৯৫ সালে ফাযিল, ১৯৯৭ সালে কামিল পাশ করেন। এছাড়া ১৯৯৬ সালে বিএসএস সম্মান, ১৯৯৭ সালে এমএসএস, ২০১৩ সালে তিনি এলএলবি পাশ করেন। ২০১৪ সাল থেকে তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির হিসেবে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। শাহিনুর আলম ১৯৮৫ সালের ২৫ মে ছাত্র শিবিরের মাধ্যমে জামায়াত রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ১৯৮৭ সালে তিনি ছাত্র শিবিবের শেরপুর উপজেলার একটি উপ-শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি শেরপুর আলিয়া মাদ্রাসা শাখার অর্থ সম্পাদক ও ৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি শেরপুর পৌরসভার অর্থ সম্পাদক এবং ১৯৯৩ সালে শেরপুর পৌরসভার পাঁচ মাস সভাপতি ও ১৯৯৩ সালে সিরাজগঞ্জ শহর শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ছাত্র শিবির সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি ও ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। শাহিনুর আলম ১৯৯৮ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন এবং ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ শহর শাখার সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি ও ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত জেলা জামায়াতের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৪ সাল থেকে তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরাসদস্য হিসেবে অধ্যাবধি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। রাজনীতির পাশাপাশি নানা সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। সিরাজগঞ্জ জেলার তথা উত্তরবঙ্গের অন্যতম ব্যতিক্রমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ট্রাষ্ট সিরাজগঞ্জ দারুল ইসলাম ট্রাষ্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এছাড়া দারুল ইসলাম একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয় ও সিমলা ডিগ্রি কলেজের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। কাজিপুরের খাসশুড়িবৈড় ঈদগাহ ময়দানের খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন। সু-শিক্ষিত মেধাবি এই রাজনীতিবিদ কাজিপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক ও সিরাজগঞ্জ দারুল ইসলাম একাডেমির অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ব্যবসা করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। শাহিনুর আলমের পরিবারও শিক্ষিত। তাদের সন্তানদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধর্মীয় শিক্ষার সাথে সমন্বয় করে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলছেন। শাহিনুর আলমের স্ত্রী মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস জলি দারুল ইসলাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ। শাহিনুর আলম ও মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস জলি দম্পতির মেয়ে মোছাঃ সাদিরা নুসরাত মেডিকেলে পড়ছেন ছেলে মোঃ জারিফ জুন নাইম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন। তুখোড় ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ মোঃ শাহিনুর আলম রাজনীতি করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিষ্ট সরকারের রোশানলে পরে মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বারবার। শুধু বিগত ১৫ বছরেরই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ৮বার তাকে জেলে যেতে হয় এবং বিভিন্ন সময়ে প্রায় তিন বছর তিনি কারাভোগ করেন । সিরাজগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে জামায়াত কর্তৃক মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই মোঃ শাহিনুর আলম তার নির্বাচনী এলাকা কাজিপুরে যাচ্ছেন দলের নেতা-কর্মী সহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করছেন সমর্থন পাচ্ছেন। তাদের। মোঃ শাহিনুর আলম দলের চিন্তা, দল ক্ষমতায় গেলে কি কি করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরছেন জনগণের মাঝে। তিনি সাড়াও পাচ্ছেন বেশ। বিগত দিনের দুঃশাসন সম্পর্কে মানুষকে সজাগ করছেন। মোঃ শাহিনুর আলম বলেন, আমরা দেশের মানুষের জন্য দল করি। কিন্তু বিগত দিনে আমাদের দলকে রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া হয়নি। মামলা হামলা দিয়ে আমাদের হাজার হাজার নেতা- কর্মীকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমাদের কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে। দেশের মানুষ বিগত দিনগুলোতে রাষ্ট্রীয় শাসন দেখেছে। সেটা কোনো শাসন ছিল না। ছিল শোষন এবং মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি করার মহরা। অতীতে মানুষ যাদেখেছে, যা ঘটেছে আর তা দেখতে চায় না। বিগত দিনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় তবে সেই পরিবর্তন যেন জনগণের স্বার্থে হয়। তাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে দুঃশাসন নয় জনগণের সেবক হয়ে কাজ করবে। আমি একজন কর্মী হিসেবে দলের আদেশ নির্দেশ মেনে কাজিপুরের সকল সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে দেশের উন্নয়নের কথা বলা হলেও কার্যত সুষম কোনো উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নে বৈষম্য করা হয়েছে যার কারণে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ সঠিক উন্নয়ন পাননি। তিনি আরও বলেন সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে, সারা দেশের সাথে কাজিপুরেও পরিকল্পনা মাফিক উন্নয়ন করা হয়নি। ভিন্নমতের ভিন্ন দলের মানুষ উন্নয়ন ও সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে। সিরাজগঞ্জের কাজিপুর সহ সারা দেশে এখনো লাখ লাখ বেকার রয়েছে। আমরা সরকারে গেলে বেকার সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারিভাবে সুষমভাবে বিভিন্ন মিল-কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জের ও দেশের শিল্প উদ্যেক্তাদের অনুপ্রাণিত করে কাজিপুরে ও সিরাজগঞ্জে বেসরকারি ভাবে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে। কাজিপুরের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করা হবে। এখানে প্রয়োজনীয় শিল্প- কারাখানা গড়ে তুলতে কাজ করা হবে। কাজিপুরের কম্বল শিল্প সারাদেশে পরিচিত। কুনকুনিয়া, ছালাভরা সহ এই এলাকার মানুষ কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের উদ্যোগে কম্বল শিল্প গড়ে তুলেছেন। এখানকার কম্বল সারা দেশে যায় । স্বল্পমূল্যে ভালো কম্বল পাওয়া যায় বলে সারা দেশে এর চাহিদা রয়েছে। এই শিল্পের সাথে শতশত পরিবার জড়িত কিন্তু বিগত দিনে বিষয়টির গুরুত্ব দিয়ে এই শিল্পের উন্নয়নে সরকারি কোনো পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা করা হয়নি। এখানে ব্যাংক সুবিধা প্রয়োজন। দূর থেকে যারা কম্বল ক্রয় করতে আসেন তাদের থাকার জন্য কোনো ভালো হোটেল নেই। অনেকটা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই ব্যবসায়ীরা এখানে ব্যবসা করে থাকেন। আমি নির্বাচিত হলে কম্বল শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সকল কিছু করা হবে। চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও বাজারের উন্নয়ন করা হবে যার মাধ্যমে উৎপাদিত মরিচ, বাদাম ও ভুট্টা সহ বিভিন্ন ফসল চরবাসী নায্য দামে বিক্রি করতে পারেন, লাভবান হতে পারেন সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। অর্থাৎ নদী বেষ্টিত কাজিপুরের চর ও সমতলের মধ্যে সুষম উন্নয়ন করা হবে। কাজিপুরের উন্নয়নে বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ মূলক সমাজ কায়েম করা হবে। মাদক সহ নানা প্রকার নেশায় পড়ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় যুবকদের চরিত্র ধ্বংস করা হয়েছে তাদের মেধাহীন করে ফেলা হয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে কাজিপুরকে মাদকমুক্ত করবো। যুবসমাজকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার ব্যবস্থা করা হবে এবং মাদককে প্রতিরোধ করা হবে। বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘুতে বিশ্বাস করে না এবং তা সমর্থনও করে না। আমরা যেমন এই দেশের নাগরিক তেমনি এখানে বসবাসরত হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই এদেশের নাগরিক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষতায় গেলে এখানে ধর্মীয় স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ থাকবে। যার যার ধর্মের আচার অনুষ্ঠান তাদের মতো করে করবে। তিনি আরও বলেন, দেশের সকল ধর্মের, বর্ণের, গোষ্ঠি ও শ্রেণি পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে তাদের এক সাথে করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি মডেল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ।পৃথিবীর বুকে বাংলাদেকে একটি মর্যাদাশীল জাতি ও দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। আর দেশের এই সার্বিক উন্নয়ন ও নতুন পথে চলার সাথী হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের সকল ধর্ম-বর্ণ-গোত্র শ্রেণি পেশার মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন চায়। মোঃ শাহিনুর আলম বলেন, আমি কাজিপুর থেকে নির্বাচিত হলে সকল ধর্ম-বর্ণ-গোত্র ও শ্রেণি পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে দলমতের উর্দ্ধে উঠে কাজিপুরের সার্বিক উন্নয়ন করা হবে। এক্ষেত্রে তিনি কাজিপুরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন।

Thursday, 3 April 2025

উল্লাপাড়া পূর্বদেলুয়া ব্রীজের উপর ট্যাংকলরির মুখোমুখি সংঘর্ষে    সিএনজি চালক ও যাত্রীসহ নি-হ-ত  ২ আ-হ-ত ৪

উল্লাপাড়া পূর্বদেলুয়া ব্রীজের উপর ট্যাংকলরির মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালক ও যাত্রীসহ নি-হ-ত ২ আ-হ-ত ৪

 


সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পূর্বদেলুয়া ব্রীজের উপর ট্যাংকলড়ি ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। বৃস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৪ টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে পূর্বদেলুয়া ব্রীজের উপর এ ঘটনা ঘটে।


নিহত দুই জনের মধ্যে একজন সলঙ্গা থানার আলোকদিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে শরিফুল ইসলাম, রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত নিহত আরেকজন ও আহত তিন জনের পরিচয় জানা যায়নি।



হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে ছেড়ে আসা সিনএনজি উল্লাপাড়ার দিকে আসছিলো অপর দিকে বাঘাবাড়ি থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্যাংকলড়ি পূর্বদেলুয়া ব্রীজে পৌছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির দুই যাত্রী নিহত হয় আহত হয় তিন জন। এ সময় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্যাংকলড়িটি আটক করা হলেও ড্রাইভার ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আলী আলমের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আলী আলমের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

 


বেলকুচি প্রতিনিধি :

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী ও এনায়েতপুর ) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, জেলা নায়েবে আমীর ও বেলকুচি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মোঃ আলী আলম পবিত্র ঈদুল ফিতর পরবর্তী ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
আজ বুধবার ( ২ এপ্রিল ২০২৫) সকালে সেননগর মডেল হাই স্কুল মাঠ থেকে শুরু করে বেলকুচি পৌরসভা, রাজাপুর , ভাঙ্গাবাড়ী, ধুকুরিয়াবেড়া ও দৌলতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের আমীর ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা নায়েবে আমীর, অধ্যাপক নুরুন্নবী সরকার, ও মাওলানা আবুল হাসেম সরকার, উপজেলা সেক্রেটারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী মাহবুবুর রশিদ শামীম,উপজেলা অফিস সেক্রেটারী আবুল হোসেন ভূঁইয়া সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বিপুলসংখ্যক জামায়াত ও শিবির নেতৃবৃন্দ।
রাজশাহীতে ৫ আগস্ট ছাত্র হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেফতার

রাজশাহীতে ৫ আগস্ট ছাত্র হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেফতার

 


গত বছরের ৫ আগস্ট রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সাকিব আনজুম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বোসপাড়া এলাকায় নিজ বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করে।

রাত ১০টার দিকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র (এডিসি) সাবিনা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার আসামির নাম নয়ন ইসলাম শক্তি (৩২)। তিনি নগরীর বোসপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

এডিসি সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বুধবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে নয়নকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমি নির্বাচিত হলে সিরাজগঞ্জে চাঁদাবাজ সন্ত্রাস মাদক মুক্ত সুবিচার ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ গঠন করবো-মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ

আমি নির্বাচিত হলে সিরাজগঞ্জে চাঁদাবাজ সন্ত্রাস মাদক মুক্ত সুবিচার ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ গঠন করবো-মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ

 


নিজস্ব প্রতিবেদক :সিরাজগঞ্জ:

বাংলাদেশে যে কয়েকটি রাজনৈতিক দল রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সু-শৃঙ্খল রাজনৈতিক দল।দল পরিচালনা থেকে শুরু করে নেতা নির্বাচন করার পদ্ধতিতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে, মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে। সেই পার্থক্য হলো একে বারে ওয়ার্ড পর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতা নির্বাচন করা হয় দলের গঠনতন্ত্র ও প্রটোকল মেনে।তাই যে কারও হুট করে নেতা হবার সুযোগ নেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে। দলের জন্য ত্যাগী, দক্ষ, সৎ, নিষ্ঠাবান নিবেদিত প্রাণ এবং নেতা-কর্মীদের সমর্থন ও মতামতের ভিত্তিতে নেতা নির্বাচন করা হয় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। কেন্দ্রের কোন সিদ্ধান্ত দলের তৃণমূল পর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সু-শৃঙ্খল ভাবে মেনে চলা হয়। দেশের পরিবর্তিত পরিসি'তিতে আগামীর জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিরাট গুরুত্ব বহন করে। সেই গুরুত্বকে প্রাধ্যান্য দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা বাংলাদেশে দুইশতাধিক সংসদীয় আসনে ইতোমধ্যেই প্রার্থীতা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ক্ষেত্রে দলের জন্য ত্যাগী, নিষ্ঠাবান, সৎ, দক্ষ ও নিবেদিত পরিছন্ন ইমেজের কর্মীকে বেছে নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচনে তাদের প্রার্থী করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জে ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীতা ঘোষণা করা হয়েছে। কি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সু-শৃঙ্খল দল হবার কারণে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোন প্রকার বিরোধ, দ্বন্দ্ব ও বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়নি যা অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে চিন্তা করা একেবারেই অসম্ভব। সিরাজগঞ্জে ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর-আংশিক সদর) সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ), সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী), সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) ও সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) এই পাঁচটিতে প্রার্থীতা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সিরাজগঞ্জ-৩ (তাড়াশ রায়গঞ্জ) আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। অল্প সময়ের মধ্যে এখানেও প্রার্থীঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।সিরাজগঞ্জ সদর-২ (সদর-কামারখন্দ) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিনয়ী, সৎ, দক্ষ ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদকে সংসদ সদস্য নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারী সু-শিক্ষিত মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের সয়াগোবিন্দ ভাঙ্গাবাড়ী, ভাষানী রোড মহল্লায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ মোশারফ হোসেন। জাহিদুল ইসলাম জাহিদ পেশায় একজন শিক্ষক। মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ এমএস এস পাশ। সেই সাথে তিনি এলএলবি পাশ করেছেন। মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ইসলামী ছাত্র শিবির সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। ২০০৪ সালে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ পৌর শাখার সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন ও ২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সহকারি সেক্রেটারীর এবং ২০১৩ পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করেন। এবং ২০১৪ সাল থেকে তিনি নিষ্ঠার সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি নানা সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। তিনি সিরাজগঞ্জে একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। ত্যাগী ও তুখোর রাজনীতিবিদ মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ রাজনীতি ও আন্দোলন করতে গিয়েআওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের রোশানলে পরে নানা অজুহাতে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেয়া হয় তার নামেএবং ২০০২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং ২০১০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত তিনি পাঁচবার কারাভোগ করেছেন। এছাড়াও তিনি একাধিকবার মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় জেল গেইটে থেকে পুনঃগ্রেফতার ও পুলিশী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর আগে ১৯৯০ সালে তিনি স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৬ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতেও মাঠে থেকে আন্দোলন করেছেন। ২০০২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জুলাই বিপ্লব সহ আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে।সিরাজগঞ্জ সদরে অবস্থানের কারণে ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কারণে সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ তার নির্বাচনী এলাকায় দলের নেতা-কর্মী সহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করছেন।মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ দলের সিদ্ধান্ত, চিন্তা ও ক্ষমতায় গেলে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কি কি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরছেন জনগণের মাঝে। একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে তিনি সাড়াও পাচ্ছেন বেশ। বিগত দিনের দুঃশাসন সম্পর্কে মানুষকে সজাগ করছেন। মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, আমরা দেশের মানুষের জন্য দল করি। কিন্তু বিগত দিনে আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের দলকে রাজনীতি করার সুযোগ দেয়নি। স্বাভাবিক ভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যায়নি।মামলা হামলা দিয়ে আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমাদের কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে। দেশের মানুষ বিগত দিনগুলোতে যে রাষ্ট্রীয় শাসন দেখেছে। সেটা কোন শাসন ছিল না। ছিল শোষন এবং মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি করার মহরা। আওয়ামী লীগ সরকার অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করেছিল। তাই অতীতে মানুষ যা দেখেছে, যা ঘটেছে আর তা দেখতে চায় না। বিগত দিনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় তবে সেই পরিবর্তন যেন জনগণের স্বার্থে হয়। জনগণের এই ধারণাকে ধারণ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে নতুন ভাবে দেশকে গড়ে তুলতে চায়। তাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে দুঃশাসন নয় জনগণের সেবক হয়ে কাজ করবে। আমি একজন কর্মী হিসেবে দলের আদেশ নির্দেশ মেনে সিরাজগঞ্জ- কামারখন্দের উন্নয়নে সকল সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে কাজ করবো। তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে দেশের উন্নয়নের কথা বলা হলেও কার্যত সুষম কোন উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নে বৈষম্য করা হয়েছে যার কারণে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ সঠিক উন্নয়ন পায়নি। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে, সারা দেশের মতো সিরাজগঞ্জেও পরিকল্পনা মাফিক সু- সম উন্নয়ন করা হয়নি। ভিন্ন মতের ভিন্ন দলের মানুষ উন্নয়ন ও সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সিরাজগঞ্জ সহ সারা দেশে এখনো লাখ লাখ বেকার রয়েছে। কথায় নয়আমরা কাজে বিশ্বাসী। জামায়াতে ইসলামী সরকারে গেলে এবং আমি নির্বাচিত হলে বেকার সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারিভাবে বিভিন্ন মিল কলকারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জের ও দেশের শিল্প উদ্যেক্তাদের অনুপ্রাণিত করে এখানে বেসরকারিভাবে শিল্প কারখানা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে। এছাড়া সিরাজগঞ্জে শিল্পপার্ক, ইকোনমিক জোন নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ ত্বরান্বিত করা হবে। যেন এই সকল শিল্প কারখানায় কাজ করে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয় সেই ব্যবস্থা করা হবে। সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করা হবে। বিগত দিনে সরকারি সহযোগিতায় এক শ্রেণির ব্যবসায়ীয়দের সুবিধা দেয়া হতো যার কারণে সিরাজগঞ্জে কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যবসায়ীরা।তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জ একটি সম্ভাবনাময় জেলা এখানে শিল্প স্থাপন, পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সহ নানা সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে যার মাধ্যমে হাজার হাজার পরিবারে কর্মস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। কিন্তু বিগত দিনে সরকারি কোন পৃষ্টপোষকতা ও প্রয়োজনীয় চেষ্টা ও সহযোগিতা করা হয়নি। যার কারণে এখানকার মানুষ কাঙ্খিত উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে।জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে এবং আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে বাজার সিন্ডিকেড ভেঙে দেয়া হবে। প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ দেয়া হবে সেই সাথে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। সুবিচার, ইনসাফপূর্ণ এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে সরকারি পৃষ্টপোষকতায় মাদক সহ নানা প্রকার নেশায় জড়িয়ে যুবকদের চরিত্র ধ্বংস করা হয়েছে তাদের মেধাহীন করে ফেলা হয়েছে।আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে, আমার প্রথম কাজ হবে সিরাজগঞ্জকে মাদক ও চাঁদাবাজ মুক্ত করা। সন্ত্রাস মুক্ত করা এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কাজ করা হবে। মাদক, সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজদেরকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না বরং কঠোর হস্তে দমন করা হবে। ইভটিজিং বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। সিরাজগঞ্জ ও কামারখন্দে ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে। আমার নির্বাচনী এলাকার সমস্যা সমূহ চিহ্নিত করে সেই মোতাবেক কাজের পরিকল্পনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন করা হবে। আমার নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি সার্বিক সকল উন্নয়নে প্রয়োজনীয় রাস্তা-ঘাট, কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণ সৌন্দর্য বর্ধন ও উন্নয়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশ জনবহুল তাই ছোটখাটো ঝগড়া-বিবাদ হয়ে থাকে সেগুলো মীমাংসার জন্য বিশেষ মীমাংসা কমিটি গঠন করা হবে যার মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা পায় এবং মানুষ অকারণ মামলা করা থেকে যেন নিরুৎসাহিত হয়। আমি এমপি নির্বাচিত হলে যুব সমাজকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার ব্যবস্থা করা হবে এবং মাদক প্রতিরোধ করা হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যখন নির্বাচিত হবো তখন তো দলমত নির্বিশেষে সবার এমপি হবো জনপ্রতিনিধি হবো সেখানে সবাই সমান সুবিধা পাবে। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু শব্দতে বিশ্বাস করে না এবং তা সমর্থনও করে না। আমরা যেমন এই দেশের নাগরিক তেমনি এখানে বসবাসরত হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই এদেশের নাগরিক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে এখানে ধর্মীয় স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ থাকবে, সমঅধিকার থাকবে। যার যার ধর্মের আচার অনুষ্ঠান তাদের মতো করে করবে। তিনি আরও বলেন, দেশের সকল ধর্মের, বর্ণের, গোষ্ঠি ও শ্রেণিপেশার মানুষকে সাথে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে একটি মডেল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল জাতি ও দেশ হিসেবে পরিচিত করতে চায়। আর দেশের এই সার্বিক উন্নয়ন ও নতুন পথে চলার সাথী হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও শ্রেণি পেশার মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন চায়। মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, সারা দেশের মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলা একটি সম্ভাবনাময় জেলা তাই আমি এখান থেকে নির্বাচিত হলে সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও শ্রেণি পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে দলমতের উর্দ্ধে উঠে সার্বিক সু-সম বৈষম্যহীন ভাবে সিরাজগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন করা হবে। এক্ষেত্রে তিনি সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

রাজধানীতে ধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদ করায় ভাই-বন্ধুসহ তরুণীকে মারধর

রাজধানীতে ধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদ করায় ভাই-বন্ধুসহ তরুণীকে মারধর

 


রাজধানীতে ইভটিজিং ও ধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদ করায় ভুক্তভোগী তরুণী ও তার ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন তার বন্ধুও।

বুধবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টার দিকে বনশ্রীর এফ ব্লকের ৩নং সড়কে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী তরুণী। এ ঘটনায় রাতেই রামপুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, বনশ্রী ই-ব্লকের ৩নং রোডের শেষ মাথার জুস দোকানের ভেতরে ছিলেন ওই ভুক্তভোগী তরুণী। সে সময় অজ্ঞাতনামা এক লোক বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছিল দেখে আমি তার নিকট জানতে চাই আমাকে চেনে কি না? কেন তাকাচ্ছেন বারবার। এ কথা শুনে উনি উত্তেজিত হয়ে চিল্লাচিল্লি শুরু করেন। এ কারণে আমি ও আমার ছোট ভাই ও বন্ধু দোকান থেকে বের হই।

বের হওয়ার পর ওই দোকানে অজ্ঞাতনামা দুজন প্রবেশ করে। খুব সম্ভবত ওই লোকের কাছ থেকেই তাকানোর বিষয়টি শুনে তারা আমার দিকে তাকালে কী হবে বলে টিজ করতে করতে দোকান থেকে বের হয়ে বিবাদী জিশানসহ অজ্ঞাতনামা দুজন আমার পথরোধ করে।

এটা দেখে আমার ছোটভাই তাদের সামনে এসে দাঁড়ায়। তখন তারা আমার ভাইকে থ্রেট দেওয়া শুরু করে এবং বলে যে, ‘বাসা কই, চল বাসায় যাই’। আমি তখন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বলতে থাকি যে, আমাকে টিজ করায় আমার ছোট ভাই সামনে আসছে, আপনারা সরেন, ওরা আরও উত্তেজিত হতে থাকে এবং আমার ভাইকে দুজন ফেলে মারতে শুরু করে। তখন আমি আমার ভাইকে রক্ষার জন্য এগিয়ে গেলে পেছন থেকে বিবাদী জিশান ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা এসে আমাকে চুল ধরে হ্যাচকা টান দিয়ে বুকে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করে ও আমার শরীরে এলোপাথাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি দেয়।

অন্যদিকে আমার ভাইকে মারপিট করতে দেখে আমার বন্ধু মাশফিক ভিডিও করতে গেলে তাকেও এলোপাথাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মারে। এরপর বিবাদী জিশানসহ অজ্ঞাতনামা দুজন ব্যক্তি আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া শুরু করে এবং আরও বলতে থাকে যে, ‘রেপ করসি?’, ‘হ দেখ রেপ করসি’।

ঐ সময় বিবাদী জিশান মোবাইল ফোনে ফোন করে আরও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন লোক নিয়ে আসে। সবাইকে শনাক্তও করা যায়নি, বিবাদী জিশানসহ অজ্ঞাতনামা দুজন ব্যক্তি আমাদের ফোন ফেলে দিচ্ছিল বারবার লাথি দিয়ে। বলছিল কার কাছে যাবি যা? একজন বলল, ‘আমি আনন্দ টিভির সাংবাদিক, যা কার কাছে বিচার চাওয়ার চেয়ে নে’।

তখন এক বয়স্ক লোক এসে ওদের সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করে বলতে থাকে যে, ‘আমি সমিতির নেতা, সমাধান করে দিব।’ তখন আমি ও আমার ছোট ভাই চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে চলে যাই।

জানতে চাইলে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, মামলায় সোয়েব রহমান জিশান (২৫) নামে এক যুবকের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের দুই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণী কিছু ফুজেটও দিয়েছেন পুলিশকে। থানার একাধিক টিম কাজ করছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পাংশায় বিএনপির অফিস খালেদা জিয়া তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর ও মারপিট

পাংশায় বিএনপির অফিস খালেদা জিয়া তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর ও মারপিট

 


রাজবাড়ীর পাংশায় বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে দক্ষিণ খোর্দ্দবসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছে।

আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত একজন ঢাকা, একজন ফরিদপুর ও ৫ জন পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও স্থানীয় ভাবে ৩ জন চিকিৎসা নিয়ছে।

আহতরা হলেন, কলিমহর ইউনিয়নের তত্তিপুর গ্রামের নুরু ভূঁইয়ার ছেলে আকবর ভূঁইয়া (৪০), বাগ বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত ওমেদ আলী প্রামানিকের ছেলে মোহন প্রামানিক (৫৫), ফলিমারা গ্রামের আলতাফ শেখের ছেলে জহুরুল শেখ (২৩), একই গ্রামের মো. আরব আলী সরদারের ছেলে মো. খাজা সরদার (৩১), গোপালপুর গ্রামের মনিরুল খানের ছেলে তিয়াস (১৮), খোর্দ্দবসা গ্রামের ছুটি মন্ডলের ছেলে জয়নাল মন্ডল (৬৫) ও হোসেনডাঙ্গা গ্রামের সমশের সেখের ছেলে রিপন সেখ (২৭), হোসেনডাঙ্গা গ্রামের অরবিন্দু মন্ডলের ছেলে অমিত মন্ডল (২০), গোপালপুর গ্রামের মজিবরের ছেলে শিমুল (২৫)।

আহতদের মধ্যে আকবর আলী ঢাকা, মোহন প্রামানিক ও অমিত মন্ডল ফরিদপুর ও অন্যান্যরা পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা গেছে, কলিমহর ইউনিয়নের বিএনপির মধ্যে দুইটি গ্রুপ রয়েছে। যার একটি গ্রুপ পরিচালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন সাদের পরিচালনা করেন সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড আক্কাস আলী অপর একটি গ্রুপ পরিচালনা করেন কলিমহর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির নেতা বিধান কুমার বিশ্বাস।

মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টা দিকে ইউনিয়নের দক্ষিণ খোর্দ্দবসা এলাকায় ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির বিধান বিশ্বাস গ্রুপের অফিস ভাঙচুর ও মারপিট করার ঘটনা ঘটে। অফিস ভাঙচুরের সংবাদ পেয়ে বিধানের লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে মর্মে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনায় ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান আক্কাস আলী বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তার গ্রুপের লোকজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

বিধান কুমার বিশ্বাস বলেন, আহতরা সকলেই আমার কর্মী সমর্থক। ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস ভাঙচুরের ঘটনা শুনতে পেয়ে তারা দেখতে যায়। এসময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে আমার বিপরীত গ্রুপের নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক ও মুক্তার হোসেনের নেতৃত্বে কালাম মেম্বার, লাল্টু মন্ডল, নাসির, মিন্টু, মিজান, টিটু, নাসিরুদ্দিনসহ ৮০-৯০ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

তিনি আরো জানান, অ্যাডভোকেট রাজ্জাক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে কিভাবে নিজে উপস্থিত থেকে এ হামলা পরিচালনা করেন তা আমার বোধগম্য নয়। তিনি ইতিপূর্বে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না বলেই হয়তো এ কাজ তার দ্বারা সম্ভব হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবী করছি। এ বিষয়ে আমি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

পাংশা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেনসহ তাদের গ্রুপের লোকজন আমাদের ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস ভাঙচুর করে। পরে আমরা অফিস দেখতে গেলে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের কাছে হাতুরি, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, ফালা, রামদা, বেঁকি, টেটাসহ দেশীয় তৈরি নানারকম অস্ত্র ছিলো।

ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। ইউনিয়নের দুই গ্রুপের মধ্যে একটি ঝমেলা চলছিলো। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নের মনো, বিল্লালসহ বিধানের লোকজন কালাম মেম্বারের দোকান ভাঙচুর করে। এ সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৪-৫ জনকে ধরা হয়। পরে আমি তাদেরকে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। আমি শুধু হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলাম।

এ ব্যাপারে কলিমহর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ারুল ইসলাম মুরাদ মিয়া বলেন, প্রথমে তারা কলিমহর বাজারে ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস ভাঙচুর করতে আসে। সেখানে বাধা দেওয়া হলে ৭ নং ওয়ার্ডের অফিস ভাংচুর করেছে, সেখানে খালেদা জিয়া তারেক রহমান, নাসিরুল হক সাবুসহ নেতাদের ছবি ভাংচুর, চেয়ার টেবিল ভাংচুর করে উল্লাস করেছে। এ ব্যাপারে পাংশা মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন সকালেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সন্তান জন্মের ১ ঘন্টা পর পুলিশ সদস্যের দাফন

সন্তান জন্মের ১ ঘন্টা পর পুলিশ সদস্যের দাফন

 


গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ সদস্য রনি সিকদার (২৬) ছেলে সন্তানের পিতা হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টায় অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে ছেলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার এক ঘণ্টা পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রনি সিকদার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার শাহানশাহগঞ্জ ছোনাট এলাকার জামাল সিকদারের ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগর পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর অস্ত্রপচারের জন্য ছুটি নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পথে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী রনি সিকদারের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় উপজেলার মৌচাক এলাকায় ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, পুলিশ সদস্যের নাম রনি সিকদারে স্ত্রী সুমি আক্তার অন্তঃসত্তা ছিলেন। তাঁর অস্ত্রোপাচার করার জন্য ছুটি নিয়ে টাঙ্গাইলে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন রনি। মঙ্গলবার সকালে মোটরসাইকেলে বাড়িতে যাওয়ার পথে কালিয়াকৈরের মৌচাক এলাকায় পৌঁছলে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা উল্টো পথে এসে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই পুলিশ সদস্যের।

খবর পেয়ে তাঁর লাশ উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় হাইওয়ে পুলিশ।

নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রনির লাশ যখন বাড়িতে পৌঁছায় তখন তার স্ত্রী সুমি আক্তারকে অস্ত্রপচার করার জন্য জরুরিভাবে টাঙ্গাইল নিউ আয়েশা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সোয়া ৮টায় ওই হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ছেলে সন্তানের জন্মদেন সুমি আক্তার। আর রাত ৯ টার দিকে রনির জানাজার নামাজ শেষে সামাজিক কবরস্থানে তার দফন সম্পন্ন করা হয়।

রনির বোন আঁখি আক্তার মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘রনি ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছেন কিন্তু ছেলের মুখটা দেখে যেতে পারলন না।’’

গাজীপুর সদর জোনের সহকারী উপকমিশনার (এসি) দ্বীন এ আলম বলেন, “তিনি আমার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর ডেলিভারি হওয়ার খবর পেয়ে ছুটি নিয়ে বাড়িতে রওনা দিয়েছিলেন। যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘রাতে টাঙ্গাইলের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে তার একটি ছেলে সন্তান হয়েছে।”

ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

 


বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

এদিন ব্যাংকক স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় বিমসটেক ইয়ুথ জেনারেশন ফোরামের কনফারেন্সে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখবেন সরকার প্রধান। এছাড়াও আগামীকাল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দেবেন।

এবারের সফরে প্রধান উপদেষ্টা ভারতসহ বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। সম্মেলনের সময় দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থাকবেন তিনি।

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে সাইডলাইনে একান্ত আলোচনায় বসবেন দুই নেতা। ব্যাংকক সময় বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

এছাড়াও তৃতীয় দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী ২ বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, আজ বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।